
বাংলাদেশি পাসপোর্টে বৌদ্ধ তীর্থের ভিসা গাইড
ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ডসহ বৌদ্ধ তীর্থের দেশগুলোতে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসার সাধারণ চিত্র ও প্রস্তুতি।
এটি সাধারণ নির্দেশনা। বাংলাদেশি পাসপোর্টের ভিসার নিয়ম ঘন ঘন বদলায়। আবেদনের আগে প্রতিটি দেশের দূতাবাস বা অফিসিয়াল ভিসা ওয়েবসাইট দেখুন, আর অনুমোদনহীন দালাল এড়িয়ে চলুন।
এক নজরে
| দেশ | সাধারণ অবস্থা (বাংলাদেশি পাসপোর্ট) |
|---|---|
| নেপাল | অন-অ্যারাইভাল ভিসা। সার্কভুক্ত নাগরিক হিসেবে বছরে প্রথম সফরে সাধারণত ৩০ দিন পর্যন্ত ফি লাগে না। |
| ভুটান | বাংলাদেশিরা ঐতিহ্যগতভাবে আগাম ভিসা ছাড়াই প্রবেশের অনুমতি পান, তবে সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ফি (SDF) ও গাইডের নিয়ম প্রযোজ্য। বাংলাদেশিদের জন্য প্রযোজ্য SDF-এর পরিমাণ অফিসিয়াল সাইটে মিলিয়ে নিন। |
| ভারত | আগাম ভিসা লাগে, আবেদন IVAC কেন্দ্রের মাধ্যমে (ই-ভিসা নয়)। ২০২৪ থেকে পর্যটক ভিসা প্রদান সীমিত। |
| শ্রীলঙ্কা | ভ্রমণের আগে অনলাইনে ETA। |
| থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া, লাওস, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার | সাধারণত আগাম ভিসা বা ই-ভিসা লাগে। ই-ভিসা পোর্টাল বাংলাদেশি পাসপোর্ট গ্রহণ করে কিনা আগে দেখুন; না করলে ঢাকার দূতাবাসে আবেদন। |
| চীন (তিব্বতসহ), জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া | আগাম ভিসা লাগে। তিব্বতের জন্য অতিরিক্ত তিব্বত ট্রাভেল পারমিট ও গাইডেড ট্যুর বাধ্যতামূলক। |
প্রতিটি দেশের অফিসিয়াল লিংক পাবেন ভিসা পাতায়।
আবেদনের আগে যা গুছিয়ে রাখবেন
- পাসপোর্ট, যার মেয়াদ ফেরার তারিখ থেকে অন্তত ৬ মাস বাকি, আর কয়েকটি ফাঁকা পাতা।
- সাম্প্রতিক ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও সলভেন্সি সার্টিফিকেট।
- চাকরিজীবী হলে অনাপত্তিপত্র (NOC) ও ছুটির কাগজ; ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স; শিক্ষার্থী হলে প্রতিষ্ঠানের চিঠি।
- হোটেল বুকিং ও যাওয়া-আসার টিকিটের বুকিং (অনেক দূতাবাস চায়)।
- দূতাবাসের নির্ধারিত মাপের ছবি।
- বিহার বা মঠে থাকলে তাদের আমন্ত্রণপত্র সহায়ক হতে পারে।
সময় হাতে রাখুন
ভারতের মতো দেশে আবেদন থেকে ভিসা পেতে কয়েক সপ্তাহ লাগতে পারে। টিকিট কেনার আগে ভিসা নিশ্চিত করুন, অথবা ফেরতযোগ্য টিকিট নিন।
ভিসা না পেলে বিকল্প
নেপাল ও ভুটানে প্রবেশ তুলনামূলক সহজ। লুম্বিনী, কাঠমান্ডু ও ভুটানের টাইগার'স নেস্ট দিয়েই একটি পূর্ণ তীর্থযাত্রা হতে পারে। আর দেশের ভেতরেই আছে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ বৌদ্ধ ঐতিহ্য।
সর্বশেষ হালনাগাদ: 2026-10-17